বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক বিডিওএসএনের প্রোজেক্ট ম্যানেজার জাহানারা আমিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের মূল আলোচনায় অংশ নেন বিডিওএসএনের সাধারন সম্পাদক মুনির হাসান। অনুষ্ঠানে করোনার পরে মেয়েরা কিভাবে আইসিটি সেক্টরের সঙ্গে আরো বেশি যুক্ত হতে পারবে সেই সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন মুনির হাসান। অনুষ্ঠানের মাঝে মুনির হাসানের কাছে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে দেশ বিদেশ থেকে যুক্ত হন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
আইসিটিতে নারী আছে এখন প্রায় ২৯ শতাংশ। গত কয়েকবছরে এ সংখ্যা বেড়েছে। এই সময়ে নারীরা দেশের পাশাপাশি বিদেশেও তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। গুগল, মাইক্রোসফট, ট্রিপ অ্যাডভাইজার বা গোজেক এর মতো ইন্টারন্যাশনাল টেক জায়ান্টগুলোতে তারা কাজ করছে নেতৃত্বের জায়গা থেকে। এজন্য নিজের প্রোফাইল ভারি করার পরামর্শ ছিল আলোচকদের। বিদেশের টেক- ইন্ডাস্ট্রির বাজার এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে যেসব বিষয়ের উপর খেয়াল রাখতে হবে তাও ওপর মতামত দেন তারা।
এদেশের পরিবেশ বা পারিপার্শ্বিকতা নারীর চলার জন্য সহজ নয়। অনেক নারীই নানাকারণে পরিবার ছেড়ে বের হতে পারেন না। অথচ এই পরিস্থিতিতে ভেঙে না পরে অনেকেই ঘরে থেকেই নিজের বিকাশ ঘটিয়েছেন। আইসিটি এমন একটি সেক্টর কাজ জানা থাকলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরে থেকেও নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া যায়। এইসব কিছু নিয়ে আলোচনা করেন এই সেশনের অতিথিরা।
We are searching for some female graduates who want to build their career in ICT field and want the chance to lead the growing field of technologies. We are offering few job & internship opportunities for our tech girls in some reputed companies.
নাজনীন সুলতানা। তিনিই প্রথম কোনো নারী যিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হয়েছিলেন।
১৯৮০ সালেই তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হোন। কম্পিউটার উপ-বিভাগে প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। সে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে তিনিসহ মাত্র চারজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা ছিলেন। তখন এ দলটি সবমিলিয়ে প্রায় ৮৫টি সফটওয়্যার তৈরি করে। যেগুলো ব্যাংকের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের অটোমেশন তৈরিতে তিনি ছিলেন নেতৃত্বে।
